সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী বই Saiyed Abul Ala Moududee Books

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদীর সকল বই pdf

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯০৩ থেকে ২২ সেপ্টেম্বের ১৯৭৯), যিনি মাওলানা মওদুদী, বা শাইখ সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী নামেও পরিচিত, ছিলেন একজন মুসলিম গবেষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও বিংশ শতাব্দীর একজন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক।

তিনি তার নিজ দেশ পাকিস্তানের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামী নামক একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলেরও প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি ছিলেন ২০ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম স্কলারদের মধ্যে একজন।

তিনি ইতিহাসের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ ব্যক্তি যাহার গায়েবানা জানাজার নামাজ পবিত্র কাবাতে পড়া হয়।

প্রভাব ও ধারাবাহিকতা:
মাওলানা মওদুদীর প্রভাব ছিল ব্যাপক। ইতিহাসবেত্তা ফিলিপ জেনকিন্সের মতে, মিসরের হাসান আল বান্না এবং সাইয়েদ কুতুব তার বই পড়ে অনুপ্রাণিত হন। সাইয়িদ কুতব তার কাছ থেকে আদর্শ গ্রহণ করেন এবং এটি আরো সম্প্রসারিত করেন। তিনি একটি অগ্রগামী ইসলামী বিপ্লবী দল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থী জুরিস্ট আবদুল্লাহ আযযামও তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। দক্ষিণ-এশীয় জনগন (বিরাট সংখ্যক ব্রিটেন প্রবাসী সহ) মাওলানা মওদুদীর দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছেন। এমনকি শিয়া অধ্যুষিত ইরানেও মওদুদীর বড় ধরণের প্রভাব আছে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ্ খোমেনী ১৯৬৩ সালে মাওলানা মওদুদীর সাথে সাক্ষাত করেন, পরবর্তীতে ইমাম খোমেনী মওদুদীর বইগুলো ফার্সি ভাষায় অনুবাদ করেন। এখনো পর্যন্ত প্রায়শঃই ইরানের ইসলামী সরকার মাওলানা মওদুদীর কর্মপন্থা অনুসরন করে থাকে।

ইমাম ইবনে তাইমিয়ার পর তিনি (মওদুদী) দ্বিতীয় চিন্তাবিদ যিনি আধুনিক বিশ্বে ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তাধারা-কে প্রভাবিত করেছেন।

সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী বই  Saiyed Abul Ala Moududee Books

সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদীর বই গুলি ডাউনলোট করতে নিচের নামের উপরে অথবা ডাউনলোড লেখার উপরে ক্লিক করুন

১। আল কুরআনের বাংলায় অনুবাদ পর্ব-১ 
Downlode
তাফসিরঃ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
তাফহীমুল কুরআন সব খন্ড একত্রে Downlode
ইসলামী সাহিত্য
১। অর্থনৈতিক সমস্যার ইসলামী সমাধান Downlode
২। আজকের দুনিয়ায় ইসলাম Downlode
৩। আদর্শ মানব Downlode
৪। আধুনিক নারী ও ইসলামী শরিয়ত Downlode
৫। আন্দোলন সংগঠন কর্মী Downlode
৬। আল জিহাদ Downlode
৭। আল্লাহর পথে জিহাদ Downlode
৮। আসমাউল হুসনা Downlode
৯। ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ Downlode
১০। ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ Downlode
১১। ইসলাম ও জাহেলিয়াত. Downlode
১২। ইসলাম ও ধর্মহীন গণতন্ত্র Downlode
১৩। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব Downlode
১৪। ইসলাম ও সামজিক সুবিচার Downlode
১৫। ইসলাম পরিচিতি Downlode
১৬। ইসলামী অনুষ্ঠানের তাৎপর্য Downlode
১৭। ইসলামী অর্থনীতি Downlode
১৮। ইসলামী অর্থব্যবস্থার মূলনীতি Downlode
১৯। ইসলামী আইন Downlode
২০। ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচী Downlode
২১। ইসলামী আন্দোলনঃ সাফল্যের শর্তাবলী Downlode
২২। ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি বা  Downlode
২৩। ইসলামী আন্দোলনের সঠিক কর্মপন্থা Downlode
২৪। ইসলামী এবাদাতের মর্মকথা Downlode
২৫। ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলিক রূপরেখা Downlode
২৬। ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি Downlode
২৭। ইসলামী দাওয়াত ও তার দাবী Downlode
২৮। ইসলামী দাওয়াতের পথ Downlode
২৯। ইসলামী বিপ্লবের পথ Downlode
৩০। ইসলামী রাষ্ট্র ও সংবিধান Downlode
৩১। ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের অধিকার Downlode
৩২। ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন Downlode
৩৩। ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রণয়ন Downlode
৩৪। ইসলামী সংস্কৃতির মর্মকথা Downlode
৩৫। ইসলামে মৌলিক মানবাধিকার Downlode
৩৬। ইসলামের জীবন পদ্ধতি অথবা Downlode
৩৭। ইসলামের দৃষ্টিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ Downlode
৩৮। ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিক্ষণ Downlode
৩৯। ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা Downlode
৪০। ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ Downlode
৪১। ইসলামের শক্তির উৎস Downlode
৪২। ইসলামের হাকীকত Downlode
৪৩। ঈমানের হাকীকত Downlode
৪৪। উপমহাদেশর স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান ২  Downlode
৪৫। একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন Downlode
৪৬। একমাত্র ধর্ম Downlode
৪৭। কাদিয়ানী সমস্যা Downlode
৪৮। কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা Downlode
৪৯। কুরআনের মর্মকথা Downlode
৫০। কুরআনের মহত্ত্ব ও মর্যাদা Downlode
৫১। কুরবানীর তাৎপর্য Downlode
৫২। খতমে নবুয়্যাত Downlode
৫৩। খেলাফত ও রাজতন্ত্র Downlode
৫৪। গীবত একটি ঘৃণ্য অপরাধ Downlode
৫৫। জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের ভিত্তি Downlode
৫৬। জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য ইতিহাস ও কর্মসূচী Downlode
৫৭। জামায়াতে ইসলামীর ঊনত্রিশ বছর Downlode
৫৮। জিহাদের হাকীকত Downlode
৫৯। তাওহীদ রেসালাত ও আখিরাত Downlode
৬০। তাকদীরের হাকীকত Downlode
৬১। দা'য়ী ইলাল্লাহ দাওয়াতে ইলাল্লাহ Downlode
৬২। নবী জীবনের বৈশিষ্ট্য Downlode
৬৩। নবীর কুরআনী পরিচয় Downlode
৬৪। নামায রোযার হাকীকত Downlode
৬৫। নির্বাচিত রচনাবলী খন্ড-১ Downlode
         নির্বাচিত রচনাবলী খন্ড-৩ Downlode
৬৮। পত্রাবলী Downlode
৬৯। পর্দা ও ইসলাম Downlode
৭০। ভাঙা ও গড়া Downlode
৭১। ভূমির মালিকানা বিধান Downlode
৭২। মুমিনের করনীয় Downlode
৭৩। মুরতাদের শাস্তি Downlode
৭৪। মুসলিম নারীর নিকট ইসলামের দাবী Downlode
৭৫। মুসলিম বিশ্বে ইসলামী আন্দোলনের কর্মপন্থা Downlode
৭৬। মুহাররমের শিক্ষা Downlode
৭৭। মোগল সাম্রাজ্য পতনের ইতিহাস Downlode
৭৮। যাকাতের হাকীকত Downlode
৭৯। যুগ জিজ্ঞাসার জবাব  খন্ড-১ Downlode
৮২। রাহমাতুল্লিল আ'লামীন Downlode
৮৩। শান্তির পথ Downlode
৮৪। শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামী দৃষ্টিকোণ Downlode
৮৫। সত্যের সাক্ষ্য Downlode
৮৬। সাহাবায়ে কিরামের মর্যাদা Downlode
৮৭। সীরাতে রাসূলের পয়গাম Downlode

৮৮। সীরাতে সরওয়ারে আলম ১ম খণ্ড. Downlode
       সীরাতে সরওয়ারে আলম ২য় খণ্ড Downlode
       সীরাতে সরওয়ারে আলম ৩য় ও ৪র্থ খণ্ড Downlode
       সীরাতে সরওয়ারে আলম ৫ম খণ্ড downlode

মওদূদীর (র.) প্রচলিত ইলমি সনদ :
১. তাকে যারা চিনতেন এবং তার সাথে কাজ করতেন তারা জানতেন তিনি একজন আলিম; এমনকি যারা পরে তার সংশ্রব থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন তারাও তার আলিম হওয়াকে অস্বীকার করতেন না। তার সাথে অন্য বিষয়ে মতভেদ করতেন বলে দূরে সরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কিছু লোক যারা নিজেরা মূলত আলিম নয়, তারাই তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটায় এবং বলে যে তিনি আলিম ছিলেন না।

২. ইসলামে আলিম হবার নিয়ম কী? আলিম হবার নিয়ম হচ্ছে আপনি একজন আলিমের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট বিষয় অধ্যয়ন করবেন। এরপর আপনার উস্তাদ যখন নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনি পারঙ্গম হয়েছেন বলে নিশ্চিত হবেন তখন তিনি আপনাকে ইজাযাহ (সনদ) দান করবেন। এভাবে আপনি ঐ বিষয়ে আলিম হবেন। ইসলামে আলিম হবার এটাই হচ্ছে প্রচলিত পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতেই আলিম হয়েছেন আমাদের আগের দিনের উলামারা - আয়িম্মায়ে আল-মুজতাহিদীন, মুহাদ্দিসীনগণ সবাই। এখনকার মাদ্রাসা বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি নেওয়াটা মূলত ঐ ইজাযাহ পদ্ধতি থেকে চলে আসা পথ।

৩. উস্তাদ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রহিমাহুল্লাহ) মূলত সেই প্রচলিত ইসলামী ইজাযাহ পদ্ধতিতে গড়ে ওঠা আলিম। তিনি ইসলামের মৌলিক সবগুলো বিষয়ে তৎকালীন ভারতের প্রসিদ্ধ আলিমদের থেকে ইজাযাহ প্রাপ্ত। তাই তাকে যারা চিনতেন তেমন বিরোধীরাও তার আলিম হওয়া নিয়ে কথা বলতো না। তার পরিবারের কাছে তার ইজাযাহগুলো এখনও সংরক্ষিত। মুশকিল হচ্ছে তার জীবনীকাররা তার ইজাযাহগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণে লিখেননি। এমনকি জামায়াতে ইসলামী থেকেও তার যে সমস্ত জীবনী বের করা হয়েছে - যেমন আব্বাস আলী খানের লিখা "মাওলানা মওদূদী: একটী জীবন, একটি ইতিহাস" - সেগুলোতেও এগুলোর যথাযথ উল্লেখ নেই। এর কারণ সম্ভবত উস্তাদ মওদূদীর (রহিমাহুল্লাহ) আত্মপ্রচার প্রচারবিমুখতা।

৪.সে যাই হোক! আমি নিজে তার সম্পর্কে পড়তে গিয়ে অল্প কয়েকটা বিষয়ে জানতে পারলাম। আল- আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও বিশিষ্ট ফকীহ এবং আলিম ড. সায়্যিদ আব্দুল হালিম মুহাম্মদ হুসাইন (হাফিজাহুল্লাহ) এর লেখা "নাযারাত ফী ফিকরি আবীল-আলা আল- মওদূদী কিতাবে আল্লামা মওদূদীর শিক্ষাগত যোগ্যতার যে বিবরণ তিনি দিয়েছেন তা থেকে আমি পাঠকদের জন্য উল্লেখ করছি।

(ক) আরবী ভাষা, নাহু, সরফ, আল-মা'ক্বুলাত ওয়াল-বালাগাহ ওয়াল মা'আনী: এগুলোতে তিনি ইজাজাহ লাভ করেছেন দিল্লীর দারুল উলুমে ভারতের প্রখ্যাত আলিম মাওলানা শায়খ আব্দুস-সালাম নিয়াজীর (রহিমাহুল্লাহ) কাছ থেকে।

খ) হাদীস ও উলুম আল-হাদীস: শায়খ ইশফাক্বুদ্দীন কান্দাহলাবীর (রহিমাহুল্লাহ) কাছ থেকে এ বিষয়ে ইজাযাহ লাভ করেন তিনি।

(গ) ফিক্বহ, তাফসীর বায়দাওয়ী এবং আল- মাতূল ফী 'ইলম আল-মা'আনী ওয়াল- বালাগাহ: এ বিষয়গুলোতে তিনি ইজাযাহ লাভ করেন শায়খ শরীফুল্লাহর (রহিমাহুল্লাহ) কাছ থেকে।

(ঘ) ইংরেজী ভাষা: মৌলভী মুহাম্মদ ফাদিল এর হাতে মাত্র চার মাসে তিনি ইংরেজী ভাষা শিক্ষায় বুৎপত্তি লাভ করেন।

৫. ড. শায়খ আব্দুস-সালাম আযাদী নীচের মন্তব্যে উস্তাদ মওদূদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে আরো লিখেছেন: উস্তাদ নাদীমুল্লাহ হাসনাইন ও শায়খ নিয়ায ফাতেহপুরীর কাছ থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। মুহাম্মাদ ফাদিল এর কাছে শুধু ইংরেজি ভাষা নয়, ইতিহাস, দর্শন, সমাজ বিজ্ঞান ও বিভিন্ন ধর্মের তুলনা মূলক আলোচনা পড়েছেন। তিনি মাওলানা ইশফাকুর রহমান কান্ধেল্ভীর কাছ থেকে হাদীস ফিকহ ও আরবী সাহিত্য পাঠদানের ইজাযাহ নেন ১৯২৭ সালে এবং তিরমিযি ও মুওয়াত্তা ইমাম মালিক শিক্ষা দানের ইজাযাত গ্রহন করেন ১৯২৮ সনে। এই দু বছর তিনি সম্পূর্ণ সময় ব্যয় করেছেন লেখা পড়ার পেছনে।

৬. দেওবন্দে আল্লামা মওদূদী তাদের পত্রিকা আলজামইয়্যাতের সম্পাদক তখনই হতে পেরেছেন যখন সেখানকার আলিমরা তাকে সার্টিফাই করেছেন। কিছু মুর্খ লোক বলে 'তিনি আলিম ছিলেন না'। তারা জানেন না মাওলানার অনেক বই বুঝতে হলে ছোটো-খাটো আলেম হলেও চলবে না।

৭. ইসলামে যখন কাউকে আলিম বলা হয় তখন মাদ্রাসা পাশ কাউকে বুঝায় না। আলিম একটা বিরাট ব্যাপার। সায়্যিদ মওদূদী মূলত আলিম শব্দটার যথার্থ অর্থেই আলিম।

৮. তার সার্টিফিকেটগুলো পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী একত্রিত করে বই আকারে বের করেছেন।

জীবনকাল:
জন্মস্থানঃ আওরঙ্গাবাদ (বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মধ্যে), হায়দারাবাদ, ভারত,

১৯০৩- জন্ম গ্রহণ করেন। জন্মস্থানঃ আওরঙ্গাবাদ (বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মধ্যে), হায়দারাবাদ, ভারত।

১৯১৮- সাংবাদিক হিসেবে 'বিজনোর' (Bijnore) পত্রিকায় কাজ শুরু করেন।

১৯২০- জবলপুরে 'তাজ' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

১৯২১- দিল্লিতে মাওলানা আব্দুস সালাম নিয়াজির কাছে আরবি শিক্ষা গ্রহণ করেন।

১৯২১- দৈনিক 'মুসলিম' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

১৯২৫- নয়া দিল্লির 'আল জামিয়াহ' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ।

১৯২৬- দিল্লির 'দারুল উলুম ফতেহপুরি' থেকে 'উলুম-এ-আকালিয়া ওয়া নাকালিয়া' সনদ লাভ করেন।

১৯২৭- 'আল জিহাদ ফিল ইসলাম' নামে জিহাদ বিষয়ক একটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রচনা শুরু করেন।

১৯২৮- উক্ত প্রতিষ্ঠান (দারুল উলুম ফতেহপুরি) থেকে 'জামে তিরমিযি' এবং 'মুয়াত্তা ইমাম মালিক' সনদ লাভ করেন।

১৯৩০- 'আল জিহাদ ফিল ইসলাম' নামের বিখ্যাত বইটি প্রকাশিত হয়। তখন তার বয়স ২৭ বছর।

১৯৩৩- ভারতের হায়দারাবাদ থেকে 'তরজুমানুল কুরআন' নামক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।

১৯৩৭- তার ৩৪ বছর বয়সে, লাহোরে, দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তিতুল্য মুসলিম কবি ও দার্শনিক আল্লামা মুহাম্মাদ ইকবালের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয় করিয়ে দেন চৌধুরী নিয়াজ আলী খান।

১৯৩৮- তার ৩৫ বছর বয়সে, হায়দারাবাদ থেকে পাঠানকোটে গমন করেন। সেখানে তিনি দারুল ইসলাম ট্রাস্ট ইনস্টিটিউটে যোগদান করেন, যেটি ১৯৩৬ সালে আল্লামা ইকবালের পরামর্শে চৌধুরী নিয়াজ আলী খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পাঠানকোটের ৫ কিমি পশ্চিমে, জামালপুরে, চৌধুরী নিয়াজ আলী খানের ১০০০ একর এস্টেট ছিল। চৌধুরী নিয়াজ আলী খান সেখান থেকে ৬৬ একর জমি দান করেন।

১৯৪১- লাহোরে 'জামায়াতে ইসলামী হিন্দ' নামে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর আমির হন।

১৯৪২ - জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় পাঠানকোটে স্থানান্তর করেন।

১৯৪২ - তাফহীমুল কুরআন নামক তাফসির গ্রন্থ প্রনয়ন শুরু করেন।

১৯৪৭ - জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় লাহোরের ইছরায় স্থানান্তর করেন।

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদীর বাড়ির প্রবেশ পথ, ইছরা, লাহোর

১৯৪৮ - 'ইসলামী সংবিধান' ও 'ইসলামী সরকার' প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা শুরু করেন।

১৯৪৮ - পাকিস্তান সরকার তাকে কারাগারে বন্দী করে।

১৯৪৯ - পাকিস্তান সরকার জামায়াতের 'ইসলামী সংবিধানের রূপরেখা' গ্রহণ করে।

১৯৫০ - কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।

১৯৫৩- 'কাদিয়ানী সমস্যা' নামে একটি বই লিখে কাদিয়ানী বা আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম প্রমাণ করেন। ফলে ইতিহাসখ্যাত বড় রকমের কাদিয়ানী বিরোধী হাঙ্গামার সৃষ্টি হয়। এ সময় অনেকগুলো সংগঠন একযোগে কাদিয়ানীদেরকে সরকারিভাবে অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। তারা সর্বদলীয় কনভেনশনে ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে 'ডাইরেক্ট একশন কমিটি' গঠন করে। জামায়াত এই কমিটির বিরোধিতা করে অহিংস আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু তথাপি মার্চ মাসের শুরুতে আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে এবং পুলিশের গুলিতে কিছু লোক নিহত হয়।
পরে একটি সামরিক আদালত আবুল আ'লাকে এই গোলযোগের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয়, (যদিও কাদিয়ানী সমস্যা নামক বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি)। অবশ্য সেই মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর করা হয়নি।

১৯৫৩- মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর চাপ এবং দেশী বিদেশী মুসলিম নেতৃবৃন্দের অনুরোধে মৃত্যুদন্ডাদেশ পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড করা হয়, কিন্তু পরে তা-ও প্রত্যাহার করা হয়।

১৯৫৮- সামরিক শাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান 'জামায়াতে ইসলামী'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

১৯৬৪- আবারো তাকে কারাবন্দী করা হয়।

১৯৬৪- কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়।

১৯৭১- পাকিস্তান থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হবে কিনা এ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের উপর ন্যাস্ত করেন,

১৯৭২- তাফহীমুল কুরআন নামক তাফসির গ্রন্থটির রচনা সম্পন্ন করেন।
   
১৯৭২- জামায়াতে ইসলামীর আমির পদ থেকে ইস্তফা দেন।

১৯৭৮- তার রচিত শেষ বই 'সিরাতে সারওয়ারে আলম' প্রকাশিত হয়। এটি নবী মুহাম্মাদ-এর জীবনী গ্রন্থ।
   
১৯৭৯- চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন।
   
১৯৭৯- যুক্তরাষ্ট্রে তার মৃত্যু হয়।
   
১৯৭৯- লাহোরের ইছরায় সমাধিস্থ করা হয়।

স্বরণীয় জানাযা,

বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মানবতার মুক্তি আন্দোলন জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা ও আমীর, বিশ্ববিখ্যাত মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপকার, সিলেবাস প্রণেতা ও ভাইস চ্যান্সেলর, ওআইসির রূপকার, ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক আল্লামা সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদীর জানাযা পাকিস্তানের লাহোর গাদাফী স্টেডিয়ামে।

জানাযা পড়িয়েছেন তৎকালিন কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক প্রফেসর ড. শায়খ ইউসুফ আল কারযাবী।

জানাযায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক সহ বিশ্বের বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, লেখক এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহন করেন।
------------------------------------------------   

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

.....www.SharifAhmedSourav.blogspot.com