২১শে বই মেলায় ইসলামিক বই নিষিদ্ধ করার কারন কি? Islamic Books 2022
চট্টগ্রাম একুশে বই মেলায় ইসলামিক বই নিষিদ্ধ।
| চট্টগ্রাম একুশে বইমেলা |
দৃশ্যটার কথা মনে আছে আপনাদের? ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রামের একুশে বইমেলায় সমকালীন প্রকাশনের বইকে মেলা কর্তৃপক্ষ এভাবেই বাইরে ফেলে রাখতে বাধ্য করে!
বস্তাবন্দী এই বইগুলোর দোষ কি ছিলো, জানেন? এগুলো ইসলামিক বই, এগুলোতে কুরআন-হাদীসের কথা আছে।
উহু, শুধু এটুকু হলেও ব্যাপারটা সেবার এতোদূর গড়াতো না। সেবারও কিছু কিছু ইসলামিক প্রকাশনাকে মেলায় স্টল দেওয়া হয়, স্টল না দিলেও অন্যের স্টলে বই রাখতে দেওয়া হয়। কিন্তু এই বইগুলোর মোটাদাগে দোষ ছিলো— এই বইগুলোর মাঝে আরিফ আজাদ নামে একজনের লেখা বই আছে। যেহেতু আরিফ আজাদের বই আছে এখানে, তাই তাদেরকে স্টলও দেওয়া হয়নি এবং কোন স্টলে তার বইটা সহ সমকালীনের কোন বই রাখতেও দেওয়া হয়নি।
এই এক দোষের কারণে সেবার মেলা প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মাঠে এই বইগুলো অনেকটা সময় ধরে এভাবে অসহায়ের মতো বস্তাবন্দী হয়ে বাইরে পড়েছিলো!
এখন ২০২২ সাল। মাসটাও ফেব্রুয়ারি। পর্দা উঠেছে একুশে বইমেলারও। সময় গড়ালেও, মেলা কর্তৃপক্ষের আগের সেই আচরণ বদলায়নি একটুও, বরং তা হয়ে উঠেছে আরো ক্ষিপ্র, আরো জিঘাংসা-ময়।
আগে তো কেবল আরিফ আজাদের বইকে মেলায় অবাঞ্চিত করেছে, এবার তারা কোন ইসলামি প্রকাশনাকেই মেলায় ঠাঁই দেয়নি। স্টল তো দিলোই না,মেলার অন্য কোন স্টল ইসলামি ধারার কোন বই বিক্রি করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে তারা। সহজ ভাষায়— চট্টগ্রামের একুশে বইমেলায় কোন ধরণের ইসলামি বই পাওয়া যাবে না এবার।আরিফ আজাদ
২১শে বই মেলায় ইসলামিক বই নিষিদ্ধ করার কারন কি? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই ইসলামিক বই। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ লেখক আরিফ আজাদ।ড. ফয়জুল হক
পতিতালয়, জেনা-ব্যভিচার, মদ, জুয়া,সুদ, ঘুষ নিষিদ্ধ হয় না। বরং লাইসেন্স দেওয়া হয়। একই দেশে ইসলামি বই, স্টল, বিক্রি নিষিদ্ধ। এমনকি লেখকদের থানায় ডেকে নিয়ে মুচলেকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। অপরাধ একটাই ইসলামি বই লেখা।Saim Shahariar
কোন মন্তব্য নেই